আলোচিত❯
তিস্তা প্রকল্পে কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহী নেদারল্যান্ডস, স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশরাষ্ট্র কাঠামো নয় শুধু চেয়ার বদল হয়েছে : হাসনাত আবদুল্লাহএনসিপির ১৫১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনের পরিকল্পনাসরকার গঠনে প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ হয়নি : সুইডেনের সোশ্যাল ডেমোক্র্যাট নেতারংপুরের পীরগঞ্জে মুড়িকাটা পেঁয়াজ চাষে ব্যস্ত কৃষকরাক্যামেরাসহ মুখের ওপর পড়ে গেলেন ডিওপি, আহত প্রিয়ন্তী উর্বীরূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুই ইউনিটে স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা স্থাপনছয় বছরের বিরতি ভেঙে আবারও পর্দায় বিপাশাহাম উপসর্গে আরও ৬ মৃত্যুযাযাবরে সজলের পর্দাসঙ্গী চাঁদনী শেখসারাক্ষণ খাবারের চিন্তা, নিয়ন্ত্রণে আনতে বদলান দৈনন্দিন অভ্যাসঢাকা থেকে কুমিল্লা পর্যন্ত এলিভেটেড কর্ডলাইন নির্মাণের সিদ্ধান্ত: ডা. জাহেদতিস্তা প্রকল্পে কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহী নেদারল্যান্ডস, স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশরাষ্ট্র কাঠামো নয় শুধু চেয়ার বদল হয়েছে : হাসনাত আবদুল্লাহএনসিপির ১৫১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনের পরিকল্পনাসরকার গঠনে প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ হয়নি : সুইডেনের সোশ্যাল ডেমোক্র্যাট নেতারংপুরের পীরগঞ্জে মুড়িকাটা পেঁয়াজ চাষে ব্যস্ত কৃষকরাক্যামেরাসহ মুখের ওপর পড়ে গেলেন ডিওপি, আহত প্রিয়ন্তী উর্বীরূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুই ইউনিটে স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা স্থাপনছয় বছরের বিরতি ভেঙে আবারও পর্দায় বিপাশাহাম উপসর্গে আরও ৬ মৃত্যুযাযাবরে সজলের পর্দাসঙ্গী চাঁদনী শেখসারাক্ষণ খাবারের চিন্তা, নিয়ন্ত্রণে আনতে বদলান দৈনন্দিন অভ্যাসঢাকা থেকে কুমিল্লা পর্যন্ত এলিভেটেড কর্ডলাইন নির্মাণের সিদ্ধান্ত: ডা. জাহেদ
আন্তর্জাতিক

মিয়ানমারে নির্বাচন : প্রথম ধাপের ভোটে ১০২ আসনের মধ্যে ৮৯টিতে জয় পেয়েছে সেনা–সমর্থিত ইউএসডিপি

admin06-01-2026 12:18:29 AMদেখেছেন 88 বার
শেয়ার করুন
আমাদের অনুসরণ করুন Facebook YouTube X Instagram
মিয়ানমারে নির্বাচন : প্রথম ধাপের ভোটে ১০২ আসনের মধ্যে ৮৯টিতে জয় পেয়েছে সেনা–সমর্থিত ইউএসডিপি

২৪ঘণ্টা  অনলাইন : মিয়ানমারে জাতীয় নির্বাচনের প্রথম ধাপের ভোটে পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষের ১০২ আসনের মধ্যে ৮৯টিতে জয় পেয়েছে সেনা–সমর্থিত দল ইউনিয়ন সলিডারিটি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি (ইউএসডিপি)। সোমবার (৫ জানুয়ারি) পর্যন্ত প্রকাশিত ফলাফল থেকে এই তথ্য জানা গেছে। খবর এএফপি। ২০২১ সালে শান্তিতে নোবেলজয়ী গণতন্ত্রপন্থি নেত্রী অং সান সু চির নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে সামরিক বাহিনী ক্ষমতা দখল করে। প্রায় পাঁচ বছর পর এবার সামরিক জান্তার অধীনে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

দেশের বড় একটি অংশ সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকলেও সিনিয়র জেনারেল মিন অং হ্লাইংয়ের নেতৃত্বাধীন সরকার এই নির্বাচন আয়োজন করেছে। সামরিক জান্তা এটিকে ‘গণতন্ত্রের পথে ফিরে আসার উদ্যোগ’ হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করছে।কয়েকটি ধাপে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এই নির্বাচন। প্রথম ধাপের ভোট হয় গত ২৮ ডিসেম্বর। এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়, গত শুক্রবার (২ জানুয়ারি) ভোটের ফল প্রকাশ শুরু হয় এবং সোমবার প্রথম ধাপের পূর্ণ ফলাফল প্রকাশিত হয়।

প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, নিম্নকক্ষের ১০২ আসনের মধ্যে ৮৯টিতে জয় পেয়েছে ইউএসডিপি—যা মোট আসনের প্রায় ৮৭ শতাংশ। বাকি আসনগুলো পেয়েছে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলোর প্রতিনিধিত্বকারী কয়েকটি দল।বিশ্লেষক ও গণতন্ত্র পর্যবেক্ষকদের মতে, ইউএসডিপি কার্যত সামরিক বাহিনীর আজ্ঞাবহ একটি দল। দলটির শীর্ষ পর্যায়ে অসংখ্য সাবেক ও অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা রয়েছেন।

২০২০ সালের নভেম্বরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে অং সান সু চির দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি (এনএলডি)-এর কাছে ভরাডুবি ঘটে ইউএসডিপির। সামরিক বাহিনী সেই নির্বাচনের ফলাফল মানতে অস্বীকৃতি জানিয়ে ভোটে কারচুপির অভিযোগ তোলে এবং পরবর্তী সময়ে অভ্যুত্থান ঘটায়।অভ্যুত্থানের পর অং সান সু চি ও এনএলডির শীর্ষ নেতাদের গ্রেপ্তার করা হয়। দল হিসেবে এনএলডিকে বিলুপ্ত করা হয়। বর্তমানে ৮০ বছর বয়সী সু চি কারাগারে রয়েছেন।

সামরিক অভ্যুত্থানের পর দেশজুড়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ শুরু হয়, যা পরে সশস্ত্র সংগ্রামে রূপ নেয়। সুচির ন্যাশনাল ইউনিটি গভর্নমেন্টের নেতৃত্বাধীন পিপলস ডিফেন্স ফোর্স (পিডিএফ), আরাকান আর্মিসহ একাধিক বিদ্রোহী সংগঠন দেশের বিস্তীর্ণ এলাকার নিয়ন্ত্রণ নেয়।

এই পরিস্থিতির মধ্যেই নির্বাচন আয়োজন করেছে জান্তা সরকার। আগামী ১১ জানুয়ারি দ্বিতীয় ধাপ এবং ২৫ জানুয়ারি তৃতীয় ও শেষ ধাপের ভোট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

ফলাফল যাই হোক না কেন, সংবিধান অনুযায়ী পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষের ২৫ শতাংশ আসন ও মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ পদ সেনাবাহিনীর জন্য সংরক্ষিত থাকবে। ফলে রাজনৈতিক ক্ষমতার ওপর সামরিক বাহিনীর প্রভাব অব্যাহত থাকবে।পশ্চিমা কূটনীতিক ও মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থিরা এই নির্বাচন বয়কট করেছেন। তাদের দাবি, এটি সামরিক শাসনেরই আরেক রূপ। তাদের ভাষায়, এই নির্বাচন ‘নতুন বোতলে পুরোনো মদ’ ছাড়া কিছু নয়।

অং সান সু চির কারাবন্দি থাকা, তার দলের বিলুপ্তি, ভিন্নমত দমনে সরকারের কঠোরতা এবং ভোটে সেনা–সমর্থিত দলের আধিপত্য—এসব কারণে নির্বাচনটির বৈধতা নিয়েই প্রশ্ন তুলছেন তারা। বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলো তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকায় ভোট প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়েছে। জান্তা কর্তৃপক্ষও স্বীকার করেছে, দেশের সব অঞ্চলে ভোট আয়োজন সম্ভব হয়নি; ফলে বেশ কিছু এলাকা ভোটের বাইরে রাখা হয়েছে।