আলোচিত❯
তিস্তা প্রকল্পে কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহী নেদারল্যান্ডস, স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশরাষ্ট্র কাঠামো নয় শুধু চেয়ার বদল হয়েছে : হাসনাত আবদুল্লাহএনসিপির ১৫১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনের পরিকল্পনাসরকার গঠনে প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ হয়নি : সুইডেনের সোশ্যাল ডেমোক্র্যাট নেতারংপুরের পীরগঞ্জে মুড়িকাটা পেঁয়াজ চাষে ব্যস্ত কৃষকরাক্যামেরাসহ মুখের ওপর পড়ে গেলেন ডিওপি, আহত প্রিয়ন্তী উর্বীরূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুই ইউনিটে স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা স্থাপনছয় বছরের বিরতি ভেঙে আবারও পর্দায় বিপাশাহাম উপসর্গে আরও ৬ মৃত্যুযাযাবরে সজলের পর্দাসঙ্গী চাঁদনী শেখসারাক্ষণ খাবারের চিন্তা, নিয়ন্ত্রণে আনতে বদলান দৈনন্দিন অভ্যাসঢাকা থেকে কুমিল্লা পর্যন্ত এলিভেটেড কর্ডলাইন নির্মাণের সিদ্ধান্ত: ডা. জাহেদতিস্তা প্রকল্পে কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহী নেদারল্যান্ডস, স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশরাষ্ট্র কাঠামো নয় শুধু চেয়ার বদল হয়েছে : হাসনাত আবদুল্লাহএনসিপির ১৫১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনের পরিকল্পনাসরকার গঠনে প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ হয়নি : সুইডেনের সোশ্যাল ডেমোক্র্যাট নেতারংপুরের পীরগঞ্জে মুড়িকাটা পেঁয়াজ চাষে ব্যস্ত কৃষকরাক্যামেরাসহ মুখের ওপর পড়ে গেলেন ডিওপি, আহত প্রিয়ন্তী উর্বীরূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুই ইউনিটে স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা স্থাপনছয় বছরের বিরতি ভেঙে আবারও পর্দায় বিপাশাহাম উপসর্গে আরও ৬ মৃত্যুযাযাবরে সজলের পর্দাসঙ্গী চাঁদনী শেখসারাক্ষণ খাবারের চিন্তা, নিয়ন্ত্রণে আনতে বদলান দৈনন্দিন অভ্যাসঢাকা থেকে কুমিল্লা পর্যন্ত এলিভেটেড কর্ডলাইন নির্মাণের সিদ্ধান্ত: ডা. জাহেদ
ব্রেকিং নিউজ
● সচিবালয় ভবনে আগুন, ফায়ার সার্ভিস পৌঁছানোর আগেই নিয়ন্ত্রণে● সাভারে সিএনজি স্টেশনে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে আহত ৪● সৌদি আরবগামী ফ্লাইট স্থগিত, ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত রিয়াদ ও দাম্মাম রুটে প্রভাব● ডেঙ্গুতে আরও ৯ জনের মৃত্যু, এক দিনে হাসপাতালে ভর্তি প্রায় ২ হাজার● ঢাকা থেকে কুমিল্লা পর্যন্ত ৮১ কিলোমিটার উড়াল রেলপথের পরিকল্পনা● এসএসসিতে দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পুনঃপরীক্ষার পরিকল্পনা● বাংলাদেশে প্লাস্টিক দূষণ রোধে নতুন জাতীয় প্ল্যাটফর্ম চালু● পুরান ঢাকার অগ্নিনিরাপত্তা সুপারিশ বা
ক্রীড়া

ক্যান্সারে আক্রান্ত নারী ফুটবলার ঋতুপর্ণার মা, চিকিৎসা বন্ধ অর্থসংকটে

admin08-07-2025 05:30:11 PMদেখেছেন 121 বার
শেয়ার করুন
আমাদের অনুসরণ করুন Facebook YouTube X Instagram
ক্যান্সারে আক্রান্ত নারী ফুটবলার ঋতুপর্ণার মা,  চিকিৎসা বন্ধ অর্থসংকটে

২৪ঘণ্টা  অনলাইন :  জাতীয় নারী ফুটবল দলের তারকা খেলোয়াড় ঋতুপর্ণা চাকমা যখন দেশের হয়ে একের পর এক সাফল্য এনে দিচ্ছেন, ঠিক তখনই তার মা ভূজোপতি চাকমা জীবন-মৃত্যুর লড়াইয়ে আক্রান্ত হয়েছেন ব্রেস্ট ক্যান্সারে। চিকিৎসা করানোর মতো আর্থিক সামর্থ্য নেই পরিবারের। রাঙ্গামাটির কাউখালী উপজেলার ঘাগড়া ইউনিয়নের প্রত্যন্ত পাহাড়ি গ্রাম মগাছড়িতে জন্ম নেওয়া ঋতুপর্ণা এখন দেশের নারী ফুটবলের অন্যতম উজ্জ্বল মুখ। পেশাগত আয় দিয়ে মূলত তিনি তার পরিবারের খরচ চালান। তিন বোনের মধ্যে দুইজনের বিয়ে হয়েছে, একমাত্র ভাই তিন বছর আগে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা গেছেন। ফলে পরিবারের একমাত্র ভরসা এখন ঋতুপর্ণা।

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ের পর ঋতুপর্ণাসহ পাহাড়ি নারী ফুটবলারদের নিয়ে রাষ্ট্রীয় ও প্রশাসনিক মহলে ব্যাপক উৎসাহ দেখা গেলেও বাস্তবায়ন হয়নি কোনো প্রতিশ্রুতি। ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল নতুন ঘর নির্মাণ, এলাকায় রাস্তা উন্নয়ন ও বেকার বোনদের চাকরি দেওয়ার। কিন্তু সে প্রতিশ্রুতির বাস্তবচিত্র আজও অনুপস্থিত। এরই মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে ক্যান্সারে ভুগছেন ঋতুপর্ণার মা, অথচ চিকিৎসা থমকে আছে টাকার অভাবে। ঋতুপর্ণার বড় বোন পাম্পী চাকমা জানান, ‘মায়ের উন্নত চিকিৎসার জন্য অর্থের অভাব চরমভাবে ভুগিয়ে দিচ্ছে আমাদের। সরকারের কাছে আমাদের আবেদন—মায়ের চিকিৎসা, ঋতুপর্ণার নিরাপদ আবাসন এবং বোনদের কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন হোক।’

অসুস্থ অবস্থায় নিজের অনুভূতি জানাতে গিয়ে ভূজোপতি চাকমা বলেন, ‘আমার মেয়ের খেলা আমি নিয়মিত দেখি। আমি গর্বিত যে সে দেশের হয়ে খেলে। কিন্তু খুব কষ্ট লাগে, আমি যখন জীবন-মৃত্যুর মাঝে থাকি, তখনও মেয়েকে ভরসা দিতে পারি না। আমার একটাই স্বপ্ন, ঋতু বিশ্ব জয় করুক। ঋতুপর্ণার স্কুলজীবনের শিক্ষক ও রাঙ্গামাটির ক্রীড়া সংগঠক বীর সেন চাকমা বলেন, ‘ঋতুর ভবিষ্যৎ নিরাপত্তায় একটি সরকারি চাকরি জরুরি। পাশাপাশি তার মায়ের চিকিৎসা এবং বাড়ি নির্মাণে সরকারের প্রতিশ্রুতি দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে।’

জানা গেছে, ২০১৫ সালে ক্যান্সারে মারা যান ঋতুপর্ণার বাবা বরজ বাঁশি চাকমা। বাবার অনুপ্রেরণায় ঋতু খেলোয়াড় হিসেবে গড়ে ওঠেন। পাশাপাশি তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগে পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছেন। সম্প্রতি এএফসি উইমেন্স এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে ঋতুপর্ণা মিয়ানমারের বিপক্ষে দুটি গোল করে দলকে ২-১ ব্যবধানে জয় এনে দিয়েছেন। তুর্কমেনিস্তানের বিপক্ষেও একটি গোল করেন তিনি। দেশের হয়ে একের পর এক কৃতিত্ব অর্জন করা এই পাহাড়ি কন্যা যেন দারিদ্র্যের করাল গ্রাসে বিলীন না হয়ে যায়—এই কামনা দেশের সর্বস্তরের মানুষের।