আলোচিত❯
তিস্তা প্রকল্পে কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহী নেদারল্যান্ডস, স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশরাষ্ট্র কাঠামো নয় শুধু চেয়ার বদল হয়েছে : হাসনাত আবদুল্লাহএনসিপির ১৫১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনের পরিকল্পনাসরকার গঠনে প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ হয়নি : সুইডেনের সোশ্যাল ডেমোক্র্যাট নেতারংপুরের পীরগঞ্জে মুড়িকাটা পেঁয়াজ চাষে ব্যস্ত কৃষকরাক্যামেরাসহ মুখের ওপর পড়ে গেলেন ডিওপি, আহত প্রিয়ন্তী উর্বীরূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুই ইউনিটে স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা স্থাপনছয় বছরের বিরতি ভেঙে আবারও পর্দায় বিপাশাহাম উপসর্গে আরও ৬ মৃত্যুযাযাবরে সজলের পর্দাসঙ্গী চাঁদনী শেখসারাক্ষণ খাবারের চিন্তা, নিয়ন্ত্রণে আনতে বদলান দৈনন্দিন অভ্যাসঢাকা থেকে কুমিল্লা পর্যন্ত এলিভেটেড কর্ডলাইন নির্মাণের সিদ্ধান্ত: ডা. জাহেদতিস্তা প্রকল্পে কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহী নেদারল্যান্ডস, স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশরাষ্ট্র কাঠামো নয় শুধু চেয়ার বদল হয়েছে : হাসনাত আবদুল্লাহএনসিপির ১৫১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনের পরিকল্পনাসরকার গঠনে প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ হয়নি : সুইডেনের সোশ্যাল ডেমোক্র্যাট নেতারংপুরের পীরগঞ্জে মুড়িকাটা পেঁয়াজ চাষে ব্যস্ত কৃষকরাক্যামেরাসহ মুখের ওপর পড়ে গেলেন ডিওপি, আহত প্রিয়ন্তী উর্বীরূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুই ইউনিটে স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা স্থাপনছয় বছরের বিরতি ভেঙে আবারও পর্দায় বিপাশাহাম উপসর্গে আরও ৬ মৃত্যুযাযাবরে সজলের পর্দাসঙ্গী চাঁদনী শেখসারাক্ষণ খাবারের চিন্তা, নিয়ন্ত্রণে আনতে বদলান দৈনন্দিন অভ্যাসঢাকা থেকে কুমিল্লা পর্যন্ত এলিভেটেড কর্ডলাইন নির্মাণের সিদ্ধান্ত: ডা. জাহেদ
ব্রেকিং নিউজ
তিন ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল দেশ ৪ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্প
সারাদেশ

সুন্দরবন ঘেঁষে ১৮ অনুমোদনহীন রিসোর্ট বন্ধের নির্দেশ

Tania Jaha2026-10-07 08:07:36 PMদেখেছেন 42 বার
শেয়ার করুন
আমাদের অনুসরণ করুন Facebook YouTube X Instagram
সুন্দরবন ঘেঁষে ১৮ অনুমোদনহীন রিসোর্ট বন্ধের নির্দেশ

২৪ঘণ্টা অনলাইন: ‎সুন্দরবন ঘেঁষে পরিবেশগতভাবে সংকটাপন্ন এলাকায় গড়ে ওঠা অনুমোদনহীন ১৮টি রিসোর্টের কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর। এর মধ্যে ১০টি রিসোর্টকে ৩০ দিনের মধ্যে এবং নতুন করে তৈরি হওয়া আটটিকে ১৫ দিনের মধ্যে সব স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
‎
‎গত রোববার পরিবেশ অধিদপ্তর খুলনা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. হারুন-অর-রশীদ রিসোর্টগুলোর মালিকদের লিখিতভাবে এ নির্দেশ দেন। নির্দেশনা অমান্য করলে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা, নিয়মিত মামলা করাসহ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
‎
‎পরিবেশ অধিদপ্তরের তালিকায় থাকা রিসোর্টগুলো হলো—অরণ্যছায়া, অরণ্যবাড়ী, কেওড়াবন, মায়াবন, গহন, দ্য ফরেস্ট রিট্রিট, নিকুঞ্জ ভ্যালি, লা সিলভা কটেজ, বনবিবি, সুন্দরী, ইরাবতী, বনমালী, গোলকানন, পিয়ালী, ম্যানগ্রোভ, জঙ্গলবাড়ী, বনবাস ও বনলতা ইকো কটেজ।
‎
‎পরিবেশ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, খুলনা জেলার ঢাংমারী, কৈলাসগঞ্জ ও বাণিশান্তা এলাকায় এসব রিসোর্ট গড়ে উঠেছে। অনুমোদন ছাড়া রিসোর্ট নির্মাণের অভিযোগে এর আগে ১০টি প্রতিষ্ঠানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। পরে তারা শোকজের জবাব দিয়ে অনুমোদনের জন্য আবেদন করে। তবে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দিতে না পারায় গত ৩০ সেপ্টেম্বর তাদের আবেদন বাতিল করা হয়। এরপর গত রোববার কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়।
‎
‎অন্যদিকে, নতুন করে তৈরি হওয়া আটটি রিসোর্টকে গত ৩০ সেপ্টেম্বর সাত দিনের মধ্যে গ্রহণযোগ্য স্থানে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় এবার সেগুলোও বন্ধ এবং ১৫ দিনের মধ্যে স্থাপনা অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
‎
‎পরিবেশ অধিদপ্তর খুলনা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. হারুন-অর-রশীদ বলেন, অনুমোদন ছাড়া রিসোর্ট নির্মাণ ও পরিচালনার কারণে পরিবেশ আইন অনুযায়ী এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘তারা অনুমোদনের জন্য আবেদন করেছিল। কিন্তু আমাদের চাহিদামতো প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দিতে পারেনি।’
‎
‎সম্প্রতি সুন্দরবনের চারপাশে অনুমোদনহীন রিসোর্ট নির্মাণ ও পর্যটন কার্যক্রম নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। গত ২৯ সেপ্টেম্বর ‘রিসোর্ট ব্যবসার চাপে সুন্দরবন’ শিরোনামে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকায় রিসোর্ট নির্মাণ, অবৈধভাবে বন ও খালে পর্যটক চলাচল এবং ডলফিন অভয়ারণ্য ঘোষিত ঢাংমারী খাল দিয়ে পর্যটকবাহী ট্রলারের অবাধ যাতায়াতের বিষয় উঠে আসে। এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়। এর ধারাবাহিকতায় অনুমোদনহীন রিসোর্টগুলোর বিরুদ্ধে এ পদক্ষেপ নিল পরিবেশ অধিদপ্তর।
‎
‎তবে খুলনা জেলার বাইরে সুন্দরবনসংলগ্ন বাগেরহাটের মোংলার চিলা, বৈদ্যমারী ও চাঁদপাই এলাকায় থাকা রিসোর্টগুলোর বিষয়ে খুলনা জেলা কার্যালয়ের কাছে কোনো তথ্য নেই বলে জানিয়েছেন ওই কর্মকর্তা। এলাকাগুলো বাগেরহাট জেলার আওতাধীন হওয়ায় সেসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ের এখতিয়ারভুক্ত।