চট্টগ্রামে নারী উদ্যোক্তাদের সক্ষমতা বাড়াতে আইএলওর উদ্যোগ

স্থানীয় নারী উদ্যোক্তাদের ব্যবসায়িক সক্ষমতা ও বাজার সম্প্রসারণের বাস্তব প্রভাব পর্যালোচনায় চট্টগ্রামে মাঠপর্যায়ের পর্যবেক্ষণ করেছে প্রকল্প স্টিয়ারিং কমিটি (PSC)।
চট্টগ্রামে নারী নেতৃত্বাধীন ব্যবসা ও উদ্যোক্তাদের জন্য দক্ষতা উন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির কার্যক্রম পরিদর্শন করেছে প্রকল্প স্টিয়ারিং কমিটির (PSC) একটি মনিটরিং মিশন।
বুধবার (২০ আগস্ট) কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের (TMED) সচিব এনডিসি মো. দাউদ মিয়ার নেতৃত্বে এ মনিটরিং মিশন চট্টগ্রাম সফর করে। স্থানীয় জীবিকা ও নারী উদ্যোক্তাদের ব্যবসায়িক সক্ষমতার ওপর লক্ষ্যভিত্তিক প্রশিক্ষণের বাস্তব প্রভাব মূল্যায়ন করাই ছিল এ সফরের অন্যতম উদ্দেশ্য।
চিটাগং উইমেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (CWCCI) সহযোগিতায় আয়োজিত কার্যক্রমে সরকারি কর্মকর্তাদের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (ILO) প্রতিনিধিরাও অংশ নেন। এ সময় ২০ জন নারী উদ্যোক্তার সঙ্গে মতবিনিময় করা হয়। উদ্যোক্তারা পরিবেশবান্ধব বস্ত্র, অর্গানিক স্কিনকেয়ারসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্য প্রদর্শন করেন।
মনিটরিং মিশনে নারী উদ্যোক্তাদের ব্যবসার বর্তমান অবস্থা, দক্ষতা উন্নয়নের প্রভাব, বাজারে প্রবেশের সুযোগ এবং ব্যবসা সম্প্রসারণে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে খোঁজ নেওয়া হয়।
সংশ্লিষ্টরা জানান, একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই ব্যবসায়িক পরিবেশ গড়ে তুলতে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ (TVET) প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে স্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও অর্থায়নের উৎসের কার্যকর সংযোগ তৈরির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
একই সঙ্গে দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচিতে ডিজিটাল সাক্ষরতা এবং আন্তঃসীমান্ত ই-কমার্সে প্রবেশের সুযোগ যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের স্থানীয় বাজারের গণ্ডি পেরিয়ে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতার সক্ষমতা অর্জনে সহায়তা করার লক্ষ্য রয়েছে।
আইএলও ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, লক্ষ্যভিত্তিক দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণের সঙ্গে শক্তিশালী বাজারসংযোগ নিশ্চিত করা গেলে নারী উদ্যোক্তাদের ব্যবসা সম্প্রসারণের সুযোগ বাড়বে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক, টেকসই ও কর্মসংস্থানমুখী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা সম্ভব হবে।
