কেএসএফের প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম
২৪ঘণ্টা অনলাইন :

২৪ঘণ্টা অনলাইন : স্বল্পআয়ের জনগোষ্ঠীর রোগ প্রতিরোধ, ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য ব্যয় হ্রাস এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলার সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)-এর প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে।
১ জুলাই রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পিকেএসএফ ভবন-১-এ আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পিকেএসএফ-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুল কাদের।
অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, টেকসই দারিদ্র্য বিমোচন, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং ক্ষুদ্র উদ্যোগের বিকাশে সুস্থ জনগোষ্ঠীর কোনও বিকল্প নেই। দেশের ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের এগিয়ে নিতে হলে তাদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা জরুরি। অসুস্থতার কারণে চিকিৎসা ব্যয় অনেক পরিবারকে আর্থিক সংকটে ফেলে এবং উদ্যোক্তাদের উৎপাদনশীলতা ও আয়ের ওপর নেতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি করে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য ব্যয়ের হার বিশ্বের অনেক দেশের তুলনায় বেশি। এ ব্যয় কমাতে প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবার সম্প্রসারণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পিকেএসএফ দীর্ঘদিন ধরে সহযোগী সংস্থাগুলোর মাধ্যমে আর্থিক অন্তর্ভুক্তির পাশাপাশি বিভিন্ন অ-আর্থিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। সরকারের স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও মাতৃস্বাস্থ্যবিষয়ক নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মো. ফজলুল কাদের বলেন, কর্মসংস্থানের জন্য সুস্বাস্থ্যের অধিকারী উদ্যোক্তা গড়ে তোলার লক্ষ্যেই পিকেএসএফের সহযোগী সংস্থাগুলো এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করবে। স্বাস্থ্যসেবায় ব্যয়কে বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে, যা ভবিষ্যতে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
পিকেএসএফ সূত্র জানায়, প্রাথমিক পর্যায়ে সংস্থাটির ৩৯টি সহযোগী সংস্থার ৪৫৪টি শাখার মাধ্যমে প্রায় ৬ লাখ ৮০ হাজার সদস্য এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের এ কার্যক্রমের আওতায় আনা হবে। গর্ভবতী ও প্রসূতি মা, নবজাতক ও পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু, কিশোর-কিশোরী, প্রজননক্ষম নারী, প্রবীণ ব্যক্তি এবং প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীকে অগ্রাধিকার দিয়ে সেবা প্রদান করা হবে।
পর্যায়ক্রমে পিকেএসএফের সহযোগী সংস্থাগুলোর আওতাধীন সব গ্রাহকের মধ্যে এ স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ করা হবে বলে জানানো হয়। উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নিয়ে পিকেএসএফের সহযোগী সংস্থাগুলোর প্রধান নির্বাহী ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলেন, প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জন এবং পিকেএসএফের কৌশলগত পরিকল্পনা বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এএডি/
