আলোচিত❯
রহস্য জিইয়ে রাখলেন ম্রুনাল ঠাকুরবোমার হুমকি পেয়ে অবতরণ এয়ার ইন্ডিয়ার উড়োজাহাজেরহুথিরা খুব খারাপ আচরণ করছে : ট্রাম্পচার ঘণ্টা পর টঙ্গীর ওষুধ কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণেএলপিজির দাম নির্ধারণে ২৯ অক্টোবর গণশুনানিত্রয়োদশ সংসদের চতুর্থ অধিবেশন বসছে ৯ নভেম্বরঅস্ট্রেলিয়ার কাছে হোয়াইটওয়াশ বাংলাদেশদুর্গাপূজায় ৫ ট্রেনের অফ ডে বাতিলটঙ্গীতে ওষুধ কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে যোগ দিয়েছে সেনাবাহিনী-বিজিবিপোশাক শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ, স্থবির বিমানবন্দর সড়কতিস্তা প্রকল্পে কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহী নেদারল্যান্ডস, স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশরাষ্ট্র কাঠামো নয় শুধু চেয়ার বদল হয়েছে : হাসনাত আবদুল্লাহরহস্য জিইয়ে রাখলেন ম্রুনাল ঠাকুরবোমার হুমকি পেয়ে অবতরণ এয়ার ইন্ডিয়ার উড়োজাহাজেরহুথিরা খুব খারাপ আচরণ করছে : ট্রাম্পচার ঘণ্টা পর টঙ্গীর ওষুধ কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণেএলপিজির দাম নির্ধারণে ২৯ অক্টোবর গণশুনানিত্রয়োদশ সংসদের চতুর্থ অধিবেশন বসছে ৯ নভেম্বরঅস্ট্রেলিয়ার কাছে হোয়াইটওয়াশ বাংলাদেশদুর্গাপূজায় ৫ ট্রেনের অফ ডে বাতিলটঙ্গীতে ওষুধ কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে যোগ দিয়েছে সেনাবাহিনী-বিজিবিপোশাক শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ, স্থবির বিমানবন্দর সড়কতিস্তা প্রকল্পে কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহী নেদারল্যান্ডস, স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশরাষ্ট্র কাঠামো নয় শুধু চেয়ার বদল হয়েছে : হাসনাত আবদুল্লাহ
ব্রেকিং নিউজ
● সচিবালয় ভবনে আগুন, ফায়ার সার্ভিস পৌঁছানোর আগেই নিয়ন্ত্রণে● সাভারে সিএনজি স্টেশনে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে আহত ৪● সৌদি আরবগামী ফ্লাইট স্থগিত, ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত রিয়াদ ও দাম্মাম রুটে প্রভাব● ডেঙ্গুতে আরও ৯ জনের মৃত্যু, এক দিনে হাসপাতালে ভর্তি প্রায় ২ হাজার● ঢাকা থেকে কুমিল্লা পর্যন্ত ৮১ কিলোমিটার উড়াল রেলপথের পরিকল্পনা● এসএসসিতে দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পুনঃপরীক্ষার পরিকল্পনা● বাংলাদেশে প্লাস্টিক দূষণ রোধে নতুন জাতীয় প্ল্যাটফর্ম চালু● পুরান ঢাকার অগ্নিনিরাপত্তা সুপারিশ বা
সারাদেশ

তিস্তায় পানি বৃদ্ধি, ৪৪ গেট খোলা

shamim21-06-2026 09:43:38 AMদেখেছেন 76 বার
শেয়ার করুন
আমাদের অনুসরণ করুন Facebook YouTube X Instagram
তিস্তায় পানি বৃদ্ধি, ৪৪ গেট খোলা

২৪ঘন্টা অনলাইন :  ভারতে টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার কাছাকাছি পৌঁছেছে। পানি নিয়ন্ত্রণে ব্যারাজের ৪৪টি গেট খুলে দেওয়া হয়েছে। এতে করে আমন ধানের বীজতলার চারা নিয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন তিস্তা পারের কৃষক। গতকাল শনিবার সকাল ৬টায় তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে তিস্তার পানিপ্রবাহ রেকর্ড করা হয়েছে ৫২ দশমিক ০১ সেন্টিমিটার, যা বিপদসীমার ১৪ সেন্টিমিটার নিচে দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এর আগে গত শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টায় ২০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়।

জানা গেছে, ভারতের তিস্তার পানি বাড়ায় হাতিবান্ধা উপজেলার গড্ডিমারী, দোয়ানি, সানিয়াজান ইউনিয়নের নিজ শেখ সুন্দর, বাঘের চর, সিঙ্গামারি ইউনিয়নের ধুবনী, সিন্দুর্না, পাটিকাপাড়া, ডাউয়াবাড়ি ইউনিয়নের তিস্তা নদীর তীরবর্তী চরে বাদামক্ষেত, ধানের বীজতলা, মিষ্টি কুমড়াসহ বিভিন্ন ফসল পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন কৃষক।

দোয়ানি গ্রামের কৃষক ফজলে করিম বলেন, শুনছি ভারত থেকে পানি আসা শুরু হয়েছে। এ পানি যদি আসতে থাকে, চরাঞ্চলে আমন ধানের চারা নষ্ট হয়ে যাবে।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলেন, পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই, তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে।

চলতি বাজেটে সংশোধিত বরাদ্দে তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ শুরু না হলে রংপুর বিভাগ থেকে রাজধানী ঢাকায় খাদ্যশস্য সরবরাহ বন্ধ এবং প্রয়োজনে ‘ঢাকা ঘেরাও’ কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন সংগ্রাম কমিটির নেতারা। ২০ জুন রংপুর মহানগরীর কাচারীবাজার এলাকায় তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন সংগ্রাম কমিটির উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল করিম সরকার বলেন, তিস্তাপারের মানুষের দুর্ভোগের কথা সবাই জানে। বছরের পর বছর ধরে শুধু প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, কিন্তু দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই। এখন আর আশ্বাস নয়, প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ শুরু দেখতে চায় মানুষ। সরকারের সংশোধিত বাজেটেই এ প্রকল্পের জন্য অর্থ বরাদ্দ নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি বলেন, তিস্তা অববাহিকার লাখ লাখ মানুষের জীবন-জীবিকা, কৃষি, নদীভাঙন ও পরিবেশ রক্ষার সঙ্গে মহাপরিকল্পনাটি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এ অঞ্চলের মানুষের ন্যায্য দাবিকে আর উপেক্ষা করা যাবে না।

মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন সংগ্রাম কমিটির অন্যতম উপদেষ্টা ইঞ্জিনিয়ার আরিফুর রহমান আরিফ। বক্তব্য রাখেন কমিটির উপদেষ্টা ও রংপুর মহানগর জামায়াতের আমির এটিএম আযম খান, বাংলাদেশ ল’ইয়ার্স কাউন্সিল রংপুর ইউনিটের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট কাওছার আলী, এনসিপি নেতা আল মামুন, ডা. মো. হোসেন, ব্যবসায়ী আবুল কালাম আজাদ, অ্যাডভোকেট তারেকুজ্জামান তারেক, অ্যাডভোকেট উমর ফারুক এবং আব্দুল মান্নান তালিবসহ অন্যরা।

বক্তারা বলেন, তিস্তা নদীকে ঘিরে পরিকল্পিত উন্নয়ন ছাড়া উত্তরাঞ্চলের কৃষি, সেচ, নদীভাঙন প্রতিরোধ ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনার পূর্ণ বিকাশ সম্ভব নয়। তাই রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির বাইরে গিয়ে অবিলম্বে প্রকল্পের বাস্তবায়ন শুরু করতে হবে।

এদিকে, একই সময়ে রংপুর মহানগরীর বাংলাদেশ ব্যাংক মোড় থেকে শাপলা চত্বর পর্যন্ত ১০ পয়েন্টে একযোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। ব্যাংক মোড়, ডিসি মোড়, কাচারীবাজার, পুলিশ লাইন্স মোড়, সিটি বাজার, পায়রা চত্বর, জাহাজ কোম্পানি মোড়, প্রেসক্লাব চত্বর, ওয়ালটন মোড় ও শাপলা চত্বরে শত শত মানুষ অংশ নেন।

প্রেসক্লাব পয়েন্টে বক্তব্য রাখেন, গাইবান্ধা-১ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মাজেদুর রহমান মাজেদ। এ ছাড়া, শিক্ষাবিদ আবু বক্কর সিদ্দিক, আজহার আলী শাহ, আমিনুর রহমান, হাফিজ উদ্দিন, ফরহাদ হোসেন মণ্ডল, ইঞ্জিনিয়ার মামুন মিয়া, ব্যবসায়ী শাহনৎ মিয়া ও ড. আজিজুল ইসলাম বক্তব্য রাখেন।

শুধু রংপুর নয়, শনিবার একযোগে তিস্তা অববাহিকার বিভিন্ন এলাকায়ও একই দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। গঙ্গাচড়ার বুড়িরহাট থেকে মহিপুর তিস্তা সড়ক সেতু পর্যন্ত কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন রায়হান সিরাজী এমপি। লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার শৈলমারী চর এলাকায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে অংশ নেন ব্যারিস্টার মাহবুবুল আলম সালেহী এমপি ও আনোয়ারুল ইসলাম এমপি।

নীলফামারীর জলঢাকার কাকড়া এলাকা থেকে তিস্তা ব্যারেজ পর্যন্ত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন মাওলানা আব্দুস সাত্তার এমপি, আল ফারুক আব্দুল লতিফ এমপি, ওবায়দুল্লাহ সালাফি ও আব্দুল মুনতাকিম এমপি। অপরদিকে তিস্তা বাসস্ট্যান্ড থেকে তিস্তা সেতু পর্যন্ত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, অধ্যাপক গোলাম রব্বানী এমপি ও মাওলানা নুরুল আমিন এমপি।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া বক্তারা বলেন, পানিসম্পদমন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা তিস্তা অববাহিকা পরিদর্শন করে গেলেও বাস্তবায়নের দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যায়নি। এতে তিস্তাপারের মানুষের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ বেড়েছে।

তাদের ভাষ্য, আগামী দিনগুলোতে সরকারের পক্ষ থেকে কার্যকর পদক্ষেপ না এলে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবিতে উত্তরাঞ্চলের জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করার লক্ষ্যে ধারাবাহিক কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়।